মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বার্তা

বার্তা

     পৃথিবীর মানচিত্রে যে দিন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছিল সে দিন যে আনন্দের শিহরণ জেগে ছিল প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ে ঠিক তেমনি আজও আনন্দের ফোয়ারা বইছে আমাদের হৃদয়ে।  তালতলীতে একদিকে যেমন রয়েছে চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক বনভূমি আশারচর,  ফাতরার চর তেমনি রয়েছে মোহনীয় সাগর সৈকত। শুটকী শিল্প থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগরের ইলিশ মাছের প্রাচুর্য ও রয়েছে এখানে। এখানে আছে আদিবাসী রাখাইনদের আবহমান ঐতিহ্য। সবমিলিয়ে তালতলী বাংলাদেশের মধ্যে একটি অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট। বরগুনার আমতলী উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের অন্যতম একটি ইউনিয়ন ছিল বড়বগী ইউনিয়ন। তালতলী ছিল এই বড়বগী ইউনিয়নের একটি রাখাইন পাড়ার নাম। পরবর্তীতে আমতলীর পঁচাকোড়ালিয়া, কড়াইবাড়িয়া ও বড়বগী এই তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে ১৯৯০ সালে তালতলীতে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ স্টেশন স্থাপন করা হয়। প্রশাসনিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের সুবিধার্থে ২০১১ সালে তালতলীর তিনটি ইউনিয়নকে ভেঙ্গে মোট সাতটি ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে সাতটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে নবগঠিত এই তালতলী উপজেলার মোট আয়তন ২৫৮.৯৪ বর্গ কিঃমিঃ এবং জনসংখ্যা প্রায় দেড়লাখ। এছাড়া তালতলীতে ১৩টি রাখাইন পাড়ায় প্রায় তিন হাজার রাখাইন অধিবাসী রয়েছে।

 

(ফারজানা রহমান)

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

তালতলী, বরগুনা।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :
Facebook Twitter